Sunday, May 15, 2016

নষ্ট মেমোরি ঠিক করার উপায়




ফোন যত দামেই হোক না কেন, মেমোরি কার্ড না থাকলে শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে না। কারণ ফোনে মেমোরি থাকে কম। তাই মেমোরি কার্ড ছাড়া যে কল্পনাই করা যায় না ফোনের পারফরমেন্সে।  কিন্তু ফোনের মেমোরি কার্ড কখনও কখনও নষ্ট হয়ে যায়। আর মেমোরি কার্ড নষ্ট হওয়া মানে তো ফোনে কষ্ট করে জমানো অনেক কিছুই খোয়ানো।  সাধারণ ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে ফেললে বা সংযোগ বিছিন্ন করলে তা নষ্ট হতে পারে।


জেনে নিন কীভাবে নষ্ট হওয়া মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন-  দরকার হবে একটি কার্ড রিডার। এতে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। খেয়াল রাখুন, হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো মেমোরি কার্ড দেখালেও সেটিতে প্রবেশ করা যাবে না।
 



এবার আপনার উইন্ডোজের স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেনুর ওপরের দিকে কমান্ড প্রম্পট (cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator সিলেক্ট করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্প্ট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।  কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ দেখতে পেলে এখানে ‘চেক ডিস্ক’ কমপ্লিট হতে দিন।  এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y টিপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে।  মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।  নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।


মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে ‘রিড’ করতে পারে না।


Saturday, May 14, 2016

কয়কটি গুরুপ্তপূর্ন নছিহত

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নছিহত মুবারকঃ










 পাঁচ. ফাসিক, কারণ ফাসিকের নির্দিষ্ট কোনো চরিত্র নেই। সে নিজ স্বার্থে যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারে। চার. কাপুরুষ, কারণ কাপুরুষ বিপদের সময় নিজ নিরাপত্তা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।  তিন. নির্দয়, কারণ নির্দয় বিপদের সময় তোমার প্রতি দয়া দেখাবে না।  দুই. কৃপণ, কারণ কৃপণ নিজ লাভের জন্য তোমার ক্ষতি করে বসবে।  এক. মিথ্যাবাদী, কারণ মিথ্যাবাদীর কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  ৬) পাঁচ প্রকার লোকের সাথে সংশ্রব রাখিও না।  ৫) ক্রোধ-এর উৎপত্তি আগুন থেকে আর আগুন দ্বারাই দোযখ তৈরি করা হয়েছে। অতএব, সর্বদা ক্রোধ বর্জন কর। ৪) কারো গুণ দেখলে প্রশংসা করিও। দোষ দেখলে গোপন রাখিও এবং কেউ অন্যায় করিলে ক্ষমা করিও; তবেই তুমি নেককার মানুষ। ৩) দুশ্চরিত্রের সাথে চলাফেরা করিও না। তাহলে তোমার চরিত্র নষ্ট হতে সময় লাগবে না। ২) মনে রেখ মিথ্যাবাদী ভদ্র হয় না, হিংসুক আরাম পায় না, চরিত্রহীন নেতৃত্ব করতে পারে না। ১) নিজেকে হারাম বস্তু থেকে বাঁচাও, যা কিসমতে আছে তার উপর সন্তুষ্ট থাক; তবে ছুফী হতে পারবে।

আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি সুসংবাদ

১। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সুসংবাদ দিয়ে বলেন, “আপনি ইলমে কালাম উনার মুজতাহিদ।” সুবহানাল্লাহ!
২। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন মুরাকাবার হালতে ছিলেন। সেই সময় উনার উপর ইলহাম হলো: “গাফারতুলাকা ওয়া লিমান তাওয়াসসালা বিকা বিওয়াসিতাতীন আও বি-গাইরে ওয়াসিতাতীন ইলা ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ।”
অর্থ: “আপনাকে ক্ষমা করা হলো এবং আপনাকে যারা উসীলা হিসেবে গ্রহণ করবে সরাসরি অথবা মধ্যস্থতার মাধ্যমে ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাদের সবাইকে ক্ষমা করা হলো।” সুবহানাল্লাহ!
৩। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- “ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত পুরুষ ও নারী আমার সিলসিলা কিংবা অন্য কোনো সিলসিলার মাধ্যমে আমার সম্মানিত তরীক্বা উনার মধ্যে দাখিল হবে তাদের সকলকেই আমার সম্মুখে পেশ করে তাদের নাম, নসব, বংশ পরিচয়, জš§ভূমি এবং বাসস্থান সমস্ত কিছুই বলে দেয়া হয়েছে। আমি ইচ্ছা করলে সকলেরই নাম, ঠিকানা বলে দিতে পারি।” সুবহানাল্লাহ!
৪। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এ বিষয়েও সুসংবাদ দেয়া হয়েছিলো যে, তিনি যার জানাযার নামায পড়বেন, তার সমস্ত গুনাহখাতা মাফ করে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!
৫। সীমাহীন বিনয়-নম্রতার জন্য আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একবার খেয়াল হলো যে, তিনি যা লিখতেন তা মহান আল্লাহ পাক উনার রেযামন্দি এবং কবুলিয়াত হাছিল করছে কিনা- এটা মকবুল হয় কিনা, তা উনার নিকট প্রতীয়মান হচ্ছে না। তৎক্ষণাৎ ইলহাম হলো- “আপনি যা কিছু লিখছেন, সেটা পুরোপুরি মকবুল।” আবার ইলহাম হলো- “যেটা লিখছেন কেবল সেটাই মকবুল নয়, বরং পরবর্তীতে যা কিছু আলোচনা ও কথপোকথনের মাধ্যমে প্রকাশ করবেন সেটাও মকবুল এবং তা আমারই বার্তা ও বর্ণনা।” সুবহানাল্লাহ!
৬। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজের মেহেরবানীতে জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমার সবকিছু লিখিত বস্তু ও মকতুবাত শরীফ আখিরী যামানায় হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার সম্মুখে পেশ করা হবে। তা উনার নিকট মকবুল বা গ্রহণযোগ্য হবে।” সুবহানাল্লাহ! (হালাতে মাশায়িখে নকশবন্দীয়া মুজাদ্দিদীয়া-২/৩৭)
৭। মহান আল্লাহ পাক তিনি আফযালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এক নতুন তরীক্বা দান করেছিলেন। উনার পূর্ববর্তী হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনার মা’রিফতী সায়ির বা ভ্রমণ কেবলমাত্র বিলায়েতে ছুগরা বা ক্বলব লতীফা উনার উপর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। কদাচিৎ দুই একজনের বিলায়েতে কুবরা পর্যন্ত সায়ির (ছফর বা ভ্রমণ) নছীব হতো। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নিজের ফযল ও করম দ্বারা আফযালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে আ’যীম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বিলায়েতে কুবরা, বেলায়েতে মালায়েআলা, কামালতে নুবুওওয়াত ও কামালতে রিসালত, কামালতে উলুল আ’যম, হাক্বীক্বতে ইবরাহীমী, হাক্বীক্বতে মুসাবী, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী, হাক্বীক্বতে আহমদী, হূব্বে সরফা, ও লা-তাই’উন, হাক্বীক্বতে কা’বা, হাক্বীক্বতে কুরআন, হাক্বীক্বতে সালাত, মা’বুদীয়তে ছরফা মাক্বামসমূহের দরজা খুলে দিয়েছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে আ’যীম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাহেবযাদা হযরত খাজা মুহম্মদ সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত খাজা মুহম্মদ মা’সুম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদেরকে উপরোক্ত তামাম মাক্বাম, সায়ির করিয়েছিলেন। আর উনাদের মাধ্যমে উনাদের সাহেবযাদাগণ ও খলীফাগণ উনারা উক্ত মাক্বামসমূহ সায়ির করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক উনার অশেষ রহমতে এই সম্মানিত তরীক্বা উনার মধ্যে উক্ত মাক্বামসমূহের সায়ির বিদ্যমান রয়েছে। ইনশাআল্লাহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত উহা জারি থাকবে। এটাকেই তরীক্বায়ে নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদীয়া বলা হয়।
৮। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি এই সুমহান তরীক্বা উনার নিসবত হাছিল করবেন এবং এই সুমহান তরীক্বা উনার নিসবত উনার উপর সর্বাঙ্গীন সুন্দররূপে বিকশিত হবে।” সুবহানাল্লাহ!
৯। আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে আ’যীম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন, “সম্মানিত নুবুওওয়াত ব্যতীত মানুষের পক্ষে যত কামালত হাছিল করা সম্ভব, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে তা দান করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (হালাতে মাশায়িখে নক্শবন্দীয়া মুজাদ্দিদীয়া-২/৩৮)
এ কথা অনস্বীকার্য যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি আফযালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে যে নজীরবিহীন খুছুছিয়াত বৈশিষ্ট্য মুবারক দান করেছিলেন, তার সুনিপুণ বর্ণনা দেয়া সম্ভব নয়।আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি সুসংবাদ

খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন অকল্পনীয় দানশীল ও মর্যাদাশালী


হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে কোনো ব্যক্তি আমাদের প্রতি যেকোনো প্রকারের ইহসান করেছেন, আমরা উহার প্রতিদান দিয়েছি, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার প্রতিদানও দিয়েছি। অর্থাৎ উনার ইহসানের বদলাও দেয়া হয়েছে; তবে তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ব্যাপক খিদমত করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে বিশেষ প্রতিদান ক্বিয়ামতের দিন প্রদান করবেন। কারো মাল-সম্পদ আমাকে ততখানি উপকৃত করেনি, যতখানি উপকৃত করেছে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার মাল। আর আমি যদি (মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত অন্য কাউকে) খলীল বা অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে খলীলরূপে গ্রহণ করতাম। জেনে রাখুন: নিশ্চয়ই আপনাদের ছাহিব অর্থাৎ আপনাদের নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার খলীল অর্থাৎ হাবীব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
এমন একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিদ্দীক্বে আকবর, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ২২ জুমাদাল উখরা শরীফ-এ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এজন্য আমাদের এই বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের সরকারের উচিত এ দিনটিতে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা। একই কারণে উনার বিশুদ্ধ পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত প্রতিষ্ঠানের সমস্ত শ্রেণীর বই-পুস্তকে সিলেবাসভুক্ত করা ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পিতা-মাতা আলাইহিমাস সালাম উনারা অবশ্যই জান্নাতী

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত মুবারক ঘোষণার বহুপূর্বে এবং হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে প্রায় পাঁচশত বছর পরে উনার সম্মানিত পিতা-মাতা আলাইহিমাস সালাম উনারা উভয়েই পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যাঁরা কোনো হযরত নবী আলাইহিস সালাম উনার আমল পাননি, যাঁদের নিকট পবিত্র দ্বীন উনার দাওয়াত পৌঁছেনি এবং যাঁরা দুই জন হযরত নবী আলাইহিমাস সালাম উনাদের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ইন্তিকাল বা বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এ সময়টাকে বলা হয় ফিতরাত যুগ। কার আযাব হবে আর কার আযাব হবে না- এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وما كنا معذبين حتى نبعث رسولا.
অর্থ: “হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করা ব্যতিরেকে আমি কাউকে শাস্তি দেই না।” (পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫)
ولولا ان تصيبهم مصيبة بما قدمت ايديهم فيقولوا ربنا لولا ارسلت الينا رسولا فنتبع ايتك ونكون من الـمؤمنين.
অর্থ: “যারা ‘ফিতরাত’ যুগের উনাদের কৃতকর্মের জন্য যখনই কোনো মুছীবত আসত তখন তারা বলত, মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি কেনো কোন রসূল প্রেরণ করেননি, আমরা উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনুসরণ করতাম এবং ঈমানদার হতাম।” (পবিত্র সূরা কাছাছ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭)
উল্লেখ্য যে, হযরত ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুশরিকদের নাবালক সন্তান-সন্ততি সম্পর্কে বলেছেন, তারা জান্নাতবাসী। কেননা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার ঘোষণানুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যাদের নিকট পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দাওয়াত পৌঁছেনি তাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে না (যদি তারা কুফরী ও শিরিকী না করে থাকে)। (মাসালিকুল হুনাফা লিস সুয়ূতী)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পিতা-মাতা আলাইহিমাস সালাম উনাদের বিষয়টিও তদ্রƒপ। উনারা কোনো প্রকার কুফরী ও শিরকী করেননি। অর্থাৎ উনারা উভয়ে পবিত্র দ্বীনে হানীফ উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে কায়িম ছিলেন। উনারা কখনো তাওহীদবিরোধী কোনো আমল করেছেন এমন কোনো প্রমাণ মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে কেউই পেশ করতে পারবে না। এ বিষয়ে সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা একমত পোষণ করেছেন।



মুসলমানদের জন্য পালনীয় দিবস সমূহ।

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো- যেগুলি পালন করা সকলের জন্যই ফরয ও ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভের কারণ
****************************************************************************
দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো–
১ মুহররমুল হারাম শরীফ : আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস।
 ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা আব্দুল্লাহ যবিহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার দিবস।
 ৮ই মুহররমুল হারাম শরীফ:- বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শা’ন মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ১০ মুহররমুল হারাম শরীফ : ইমামুছ ছালিছ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শাহাদাত মুবারক দিবস ও পবিত্র আশূরা শরীফ।
 ২৫শে মুহররমুল হারাম শরীফ:- ইমামুর রবি’ মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবেদীন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শা’ন মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ছফর মাসের শেষ বুধবার আখিরী চাহার শোম্বাহ।
 ২৮ ছফর শরীফ : সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাত দিবস ও হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছাল শরীফ।
 ১ রবীউল আউওয়াল শরীফ : নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক হিজরত দিবস।
 ২ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছানী (হযরত ত্বইয়িব) আলাইহিস সালাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছালিছ (হযরত ত্বাহির) আলাইহিস সালাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ: উম্মু রসূলিনা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ : ঈদে মীলাদে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম।
 ৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছানী (হযরত ত্বইয়িব) আলাইহিস সালাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ১০ রবীউল আউওয়াল শরীফ: উম্মু রসূলিনা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার এবং ইবনু রসূলিল্লাহ র্আ-রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্রতম বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ১১ রবীউল আউয়াল শরীফ : ফখরুল উলামা, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত মাওলানা মুহম্মদ রুকনুদ্দীন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ।
 ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ : সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ঈদে মীলাদে হযরত মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম।
 ১৩ রবীউল আউওয়াল শরীফ : আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ ও সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ।
 ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ: হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতাজান উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 ১৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম আক্বীক্বা শরীফ দিবস।
 ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ- বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছ ছানীয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুকাইয়া আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস
 ১১ রবীউছ ছানী : ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম।
 ১৯ রবীউছ ছানী : ঈদে বিলাদতে হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম।
 ৯ জুমাদাল ঊলা : ঈদে বিলাদতে হযরত হাদীউল উমাম আলাইহিস সালাম।
 ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ:- বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলছুম আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস
 ২২শে ‍জুমাদাল ঊলা শরীফ- উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শাদী মুবারক দিবস, জাদ্দু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস ও ইবনে যুননুরাইন সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস।
 ২০ জুমাদাল উখরা : ঈদে মীলাদে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম।
 ২১শে জুমাদাল উখরা শরীফ:- বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস
 ২২ জুমাদাল উখরা : আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ ও আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ফারূক আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ।
 ১ রজবুল হারাম : দোয়া কবুলের রাত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের শাদী মুবারক দিবস।
 ২রা রজবুল হারাম শরীফ- ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা আব্দুল্লাহ যবিহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার দিবস। ও ইবনু রসূলিল্লাহ আল আউওয়াল’ সাইয়্যিদুনা হযরত ক্বাসিম আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্রতম বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
 পবিত্র রজব মাস উনার ১ম জুমুয়ার রাত : লাইলাতুর রাগায়িব।
 ৩রা রজবুল হারাম শরীফ:- সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।
 ৬ রজবুল হারাম : হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি আযমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছাল শরীফ।
 ১৩ রজবুল হারাম : ঈদে মীলাদে সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম।
 ১৪ রজবুল হারাম : সাইয়িদুনা ইমাম হযরত জাফর ছদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ এবং ঈদে বিলাদতে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতি আযমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
 ২৭ রজবুল হারাম : পবিত্র শবে মি’রাজ শরীফ ও হযরত মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম উনার লাইলাতুর রাগায়িব।
 ৫ শা’বান : ঈদে মীলাদে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম ও ঈদে মীলাদে ইমামুর রাবি’ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম।
 ১৫ শা’বান : ঈদে মীলাদে ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম ও লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান তথা পবিত্র শবে বরাত।
 ২৯ শা’বান : ঈদে বিলাদতে হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম।
 ১ রমাদ্বান শরীফ : ঈদে বিলাদতে বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি।
 ৩ রমাদ্বান শরীফ : সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ।
 ৬ রমাদ্বান শরীফ : সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলছুম আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ।
 ৯ রমাদ্বান শরীফ : ঈদে বিলাদতে হযরত খলীফাতুল উমাম আল মানছুর আলাইহিস সালাম।
 ১৭ রমাদ্বান শরীফ : উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ, বদর দিবস ও ফতেহ মক্কা দিবস।
 ১৮ রমাদ্বান শরীফ : সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুকাইয়া আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফত গ্রহণ।
 ২৭ রমাদ্বান শরীফ : পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ।
 ১ শাওওয়াল : ঈদে বিলাদতে হযরত নকীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও পবিত্র ঈদুল ফিতর।
 ১৪ শাওওয়াল : হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ।
 ১৯ শাওওয়াল : ইমামুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযুর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাদের নিকাহ মুবারক।
 ২১ শাওওয়াল : উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ মুবারক।
 ২২ শাওওয়াল : নাকিবাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহযাদী উলা ক্বিবলা আলাইহাস সালাম এবং নিবরাসাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহযাদী ছানী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাদের নিকাহ মুবারক দিবস।
 ২৫ শাওওয়াল : উম্মু মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বায়িম মক্বামে হযরত সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত দাদী হুযুর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ।
 ১৩ই যিলক্বদ শরীফ- সাইয়্যিদুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওওয়াসা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।
 ১৪ যিলক্বদ শরীফ : ঈদে বিলাদতে হযরত শাফীউল উমাম আলাইহিস সালাম।
 ৯ যিলহজ্জ শরীফ : ইয়াওমে আরাফাহ।
 ১০ যিলহজ্জ শরীফ : পবিত্র ঈদুল আদ্বহা।
 ১১-১৩ যিলহজ্জ শরীফ : আইয়ামে তাশরীক।
 ১৪ই যিলহজ্জ্ব শরীফ- সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।
 ১৮ যিলহজ্জ শরীফ : আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ।
 ২৫ যিলহজ্জ শরীফ : আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ।
 ২৭ যিলহজ্জ শরীফ : আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ।

Friday, May 13, 2016

মুবারক ১৫ই শাবান শরীফ



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’
সুমহান ও বরকতময় ১৫ শা’বান শরীফ-
ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই দিন উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
যা এবছরের জন্য আগামী ২৪ ছানী আশার-১৩৮৩ শামসী, ২৩ মে ২০১৬ ঈসায়ী, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম বা সোমবার।
সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য ফরয হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, পবিত্র দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা, উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা।
আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।